নটাখোলা তদন্ত কেন্দ্র ২২/০৭/২০২৩ইং তারিখে শুভ উদ্ভোদন করেন মাননিয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জনাব আসাদুস জামান খান কামাল
একটা সময় মানিকগঞ্জের হরিরামপুর চরাঞ্চলবাসীর পুলিশী সেবা পাওয়া ছিলো সোনার হরিণের মত। সাধারন ডায়রী করা থেকে শুরু করে প্রায় সকল পুলিশী সেবা পেতে কতই না কষ্ট করতে হয়েছে তাদের, পাড়ি দিতে হয়েছে বিশাল পদ্মানদী।
এবার হাতের কাছে পুলিশী সেবা পাওয়ায় স্বপ্ন পুরণ হবে চরাঞ্চলবাসীর। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং দাবির প্রেক্ষিতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার নটাখোলা চরে নির্মান হচ্ছে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র।
এর ফলে সময় মত আইন শৃংখলা সেবা মিলবে, কমবে অপরাধ প্রবণতা, এরই মধ্যে তদন্ত কেন্দ্রের অবকাঠামো নির্মান কাজ প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। প্রমত্তা পদ্মা আলাদা করে রেখেছে ৩ টি ইউনিয়ন (আজিমনগর,সুতালড়ী,লেছড়াগঞ্জ) ইউনিয়নসহ আরো কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা।
এই চরেই লক্ষাধিকের উপরে মানুষের বসবাস হলেও নানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা। দুর্গম এই চরে জমি নিয়ে বিরোধ,চুরি ডাকাতি,মারামারিসহ নানা কারনে প্রায়ই ঘটে ছোট বড় আইন শৃংখলা অবনতির ঘটনা।
তাদের মানবেতর এই জীবনে যাতায়াত ব্যাবস্থা সহজতর না হওয়ায় একটা সময় অনেক কষ্ট করে মিলতো পুলিশী সেবা। তাই দীর্ঘদিন ধরে চরাঞ্চলবাসীদের স্বপ্ন এবং দাবি ছিলো জরুরী পুলিশী সেবা পাওয়ার,এমনটিই জানালের নটাখোলা এলাকার রিপন সেখ।
লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের নটাখোলা এলাকায় প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মান হচ্ছে এই পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রটি। এরই মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে অবকাঠামো নির্মান কাজ। সরকারের এই মহতী উদ্যোগে খুশি এবং নতুন ভাবে বেচে থাকার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় চরের মানুষগুলো।
লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হাই জানান, জরুরী পুলিশী আমাদের চরবাসীর দির্ঘদিনের দাবি ছিলো, চরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হলে কমবে অপরাধ প্রবণতা।
লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, দীর্ঘদিনের দাবি আর স্বপ্ন পুরণ হবে বলে খুশি দুর্গম চরের মানুষগুলো। তাদের আশা- এবার অন্তত শান্তিতে এবং নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন, সকল বিপদে আপদে পাশে থাকবে বাংলাদেশ পুলিশ,এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।
নটাখোলা তদন্ত কেন্দ্রে একজন ইনচার্জের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের জনবল থাকবে এবং পরিসেবা মিলবে থানার মতই, এমনটিই জানালেন মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস